একজন লোক শুক্রবার অফিসে গিয়েছে। সেদিন মাইনে পাওয়ার দিন । মাইনে পেয়েই লোকটি ঠিক করল যে সে একেবারে উইকএন্ড পার্টি করে কাটিয়ে তবে বাড়ি ফিরবে। যথারীতি রবিবার রাতে বাড়ি ফিরে সে দেখল স্ত্রী রেগে বোম হয়ে আছে। বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই প্রশ্ন ” তোমার কেমন লাগবে যদি তুমি আমাকে দু-তিন দিন দেখতে না পাও ?”
স্ত্রীর কাছে কিছুতেই হারবে না বলে মনস্থ করা লোকটি বলল ” আমার কোন প্রবলেম হবে না”।
সোমবার কেটে গেল সে বউকে দেখতে পেল না… মঙ্গলবার,বুধবার কেটে গেল সে বউকে দেখতে পেল না।
অবশেষে বৃহস্পতিবার সে তার ফুলে ঢোল হওয়া দুটি চোখের মধ্যে একটি কোনরকমে খুলে তার স্ত্রীকে দেখতে পেল…
Nov 12
তার স্ত্রীকে দেখতে পেল
Nov 12
সে ঘুমায় না
একবার জন তার মাকে দাওয়াত করল তার বাসায় ডিনার করার জন্য। তার মা যথারিতি ডিনার করতে আসল। এসে দেখে তার ছেলের বাসায় একজন সুন্দর গৃহপরিচারিকা কাজ করছে। এ দেখে তার মায়ের মনে সন্দেহ হল। জন তার মায়ের এ সন্দেহ বুজতে পেরে মাকে বলল ওর সাথে আমার কোন খারাপ সম্পর্ক নেই।
তার মা চলে যাওয়ার পর গৃহপরিচারিকা জনকে বলল জন তোমার মা চলে যাওয়ার পর থেকে আমি মাংস নাড়ার বড় চামচ টি খুজে পাচ্ছি না। সে জনকে বলল তোমার কি মনে হয়? জন বলল আমি এ ব্যাপারে সন্ধিহান। তবে আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য মাকে চঠি লিখব। এবং যেই কথা সেই কাজ।
জন লিখল এভাবে –প্রিয় মা আমি বলছি না যে তুমি আমার ঘর থেকে একটি চামচ নিয়েছ এবং আমি এও বলছি না যে তুমি নাও নি তবে তুমি যাওয়ার পর থেকে আমি একটি মাংস নাড়ার বড় চামচ খুজে পাচ্ছি না।
একসপ্তাহ পর জন উত্তর পেল । তার মা লিখল প্রিয় জন আমি মনে করি না যে তোমার গৃহপরিচারিকা তোমার বিচানায় ঘুমায় এবং আমি এও মনে করি না সে ঘুমায় না।কারন সে যদি তার বিচানায় ঘুমাতো তাহলে সে এত দিনে চামচটি পেয়ে যেত।
Nov 12
জেল থেকে বের করে দিবো স্যার
জেলারঃ আপনি জেলার পদে কাজ করতে পারবেন?
প্রার্থীঃ অবশ্যই পারব স্যার
জেলারঃ বলেন তো কয়েদীরা ঝামেলা করলে কি করবেন?sad
প্রার্থীঃ এক ঝাড়ি দিয়ে থামিয়ে দেবো স্যার
জেলারঃ যদি বেশি বেয়াদবী করে?
প্রার্থীঃ থাপ্পড় দিয়ে ওদেরকে জেল থেকে বের করে দিবো স্যার
Nov 12
এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়
‘মফিজ’ বেকার লোক। অনেকদিন ধরে চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কিন্ত হচ্ছেনা।
এক অফিসে ইন্টারভিউ দিতে এসে পরিচিত ‘কুদ্দুস’ এর দেখা পেল।
ঘটনাক্রমে তারা দুজনেই ওয়েটিং রুমে অপেক্ষারত। প্রথমে ইন্টারভিউ রুমে কুদ্দুস………
প্রশ্ন ১: মিস্টার কুদ্দুস, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল কখন বলতে পারেন ?
কুদ্দুস: স্যার, হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছে ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২: বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবির নাম বলুন ?
কুদ্দুস: অনেকেই তো আছেন, নিদ্রিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩: ঢাকা শহরে যানজটের কারণ কি বলে আপনি মনে করেন ?
কুদ্দুস: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়।
কুদ্দুস ইন্টারভিউ শেষে চলে যাবার সময় মফিজ জানতে চাইলো কি কি প্রশ্ন করা হয়েছে।
কুদ্দুস অন্য কোথাও যাবে তাই তিনটা প্রশ্নের উওর মফিজকে বলে তাড়াতাড়ি চলে গেল। প্রশ্ন গুলো বলা হলো না।
এবার ইন্টারভিউ রুমে মফিজ………
প্রশ্ন ১: মিষ্টার মফিজ, আপনার জন্ম কত সালে ?
মফিজ: হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছি ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২: (প্রশ্নকর্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো) আপনার পিতার নাম কি ?
মফিজ: অনেকেই তো আছেন, নিদ্রিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩: (প্রশ্নকর্তা রেগে) আপনার মাথা ঠিক আছে ?
মফিজ: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়।
Nov 12
নিজের কম্বল নিজে নিয়ে নিন
একটি আন্তর্মহাদেশীয় ট্রেনে এক ব্যক্তি আর এক মহিলা একই কম্পার্টমেন্টে শোওয়ার জায়গা পেয়েছেন। প্রথমে কিছুক্ষণ উসখুস করলেও দুজনেই খুব ক্লান্ত থাকায় অল্পক্ষণের মধ্যেই তারা ঘুমিয়ে পড়লেন। ভদ্রলোক উপরের বার্থে আর ভদ্রমহিলা নীচের বার্থে।
মাঝরাতে হঠাৎ ভদ্রলোকের ঘুম ভাংল। তিনি একটু ইতস্তত করে ভদ্রমহিলাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললেন ” দেখুন কিছু মনে করবেন না , আমার এত ঠান্ডা লাগছে, আপনি কি দয়া করে আমার সুটকেস থেকে একটা কম্বল বার করে আমায় দেবেন ?”
ভদ্রমহিলা উত্তরে বললেন ” আমার আরো একটা ভালো আইডিয়া আছে। আজকের রাতের জন্য মনে করি না আমরা স্বামী আর স্ত্রী?”
ভদ্রলোক খুব অবাক আর মনে মনে খুব খুশি হয়ে বললেন ” ওয়াও!!! দারুণ আইডিয়া!! তাহলে এখন আমার কি করা উচিত?”
“উঠুন আর নিজের কম্বল নিজে নিয়ে নিন। “


