জানেন কার সাথে কথা বলছেন?

এক যুবক একটি কোম্পানিতে জয়েন করেছে ট্রেনি হিসেবে । প্রথমদিন এসেই কিচেনে ফোন করে চিৎকার ‘ এখনি আমাকে এক কাপ কফি দিয়ে যাও!! জলদি !!!!”

অন্যদিক থেকে আওয়াজ এল ” গর্দভ !!! তুমি কার সাথে কথা বলছ জান?”

যুবকটি থতমত এবং ভীত হয়ে বলল ” না আপনি কে?”
“আমি এই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর “….রাগী উত্তর এল।

যুবকটি এবার আবার আগের মত চিৎকার করে বলল ” আর আপনি জানেন আপনি কার সাথে কথা বলছেন????”
“না”…ওপার থেকে উত্তর।

“ব্বাবা বাঁচা গেছে” বলে যুবকটি ফোন রেখে দিল।

দাম্পত্য

স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া। মুখ দেখা, কথা বন্ধ।
রাতে শুতে যাওয়ার সময় স্বামীর মনে পড়ল পরের দিন ভোরবেলা ফ্লাইট । এদিকে স্বামী বেচারা সকালে উঠতে পারে না। সাত-পাঁচ ভেবে সে একটি কাগজে লিখল ” কাল সকাল চারটার সময় ডেকে দিও।” কাগজটা স্ত্রীর বালিশের কোণায় চাপা দিয়ে স্বামী নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল।

পরের দিন সকালে সাড়ে আটটার সময় স্বামীর ঘুম ভাংল। সময় দেখে তার তো চক্ষু চড়কগাছ। রেগেমেগে চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে তার নজরে পড়ল বালিশের পাশে একটা চিরকুট।

খুলে দেখল লেখা আছে ” চারটে বেজে গেছে, উঠে পড়ো।”

উকিলের কান্ডকারখানা

উকিল : মহাশয়, আমি জানি যে আপনি একজন বুদ্ধিমান ও সাধুলোক

স্বাক্ষী : ধন্যবাদ আমি একটু আগে সত্যি বলার শপথ নিয়েছি, নইলে এই প্রশংসা আপনাকে ও করতাম।

উকিল ডাক্তারকে : আচ্ছা পোষ্টমর্টেম শুরু করার আগে কি লোকটার নাড়ি টিপে দেখেছিলেন ?

“না ”

লোকটার রক্তচাপ দেখেছিলেন ?

” না ”

লোকটা নি:শ্বাস নিচ্ছে কিনা খেয়াল করেছিলেন ?

” না ”
তা হলে এটা কি সম্বভ নয় যে পোষ্টমর্টেম করার সময় লোকটি জীবিত ছিল?

” না ”

” কি করে আপনি নিশ্চিত হলেন ?”

” কারণ লোকটার মাথার ঘিলু আমার সামনে বোতলে ছিল ”
কিন্তু তা সত্তেও লোকটা বেচে থাকেত পারে – পারে না ?

ডাক্তার একটু চুপ করে থেকে এখন মনে হয় পারে হয়তো বেচে থেকে কোথাও ওকালতি করছে ।

দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই

স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি?
স্বামী: আরে সে ১ সেকেন্ড মনে হয়। চোখের পলকে কেটে গেল প্রিয়ে…
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে)তা জানু আমাকে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে এখন?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।

কান্না ছাড়া

এক দম্পতির ঘরে এক ফুটফুটে ছেলে হল।

ছেলেটির বয়স এক ছাড়িয়ে দুই-এ পড়ল।তবু ও কান্না ছাড়া আর কোন কথা বা শব্দ করতো না।
এই নিয়ে ছেলের বাবা মা দু’জনই চিন্তিত।

এক সকালে ছেলেটি দাদা বলে কেঁদে উঠলো।এরপর ঘটলো এক আজব ঘটনা!
দেখা গেল ছেলেটির দাদা মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে মারা গেল।
পরদিন ছেলেটি একমাএ ফুফুর নাম নিতে তিনি ও শেষ।
একইভাবে কাকা,মামা,খালা ও শেষ।

এরপর ছেলেটি যখন বাবার নাম নিল তখন ঘটলো এক আজব ঘটনা!
এর পরপরই পাশের বাড়ির এক কাকা মাটিতে গড়াগড়ি খেতে আরম্ভ করলো;ছেলেটির বাবা ওর মার দিকে
বাকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।