প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট
আছে,
একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা,
একটা ফ্রিজে হাতি রাখার
তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান,
এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ
রাখার
চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের
করুন,
হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের
দরজা বন্ধ
করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের
আজকে জন্মদিন।
সবাই এসেছে শুধু একজনছাড়া।
কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ
সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তা: এক
বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল
পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই,
কীভাবে?
প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের
জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও
বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থী: উমম…আমার মনে হয়,
তিনি খালের
পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন
থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার
মাথায়
পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।
Category: পাঁচমিশালী
May 20
চরম ইন্টারভিউ
May 20
পরিমিত পানি ব্যবহার করুন।
এক লোক টয়লেটে গিয়ে দেখলো , সেখানে লেখা,
আপনে যত্ত বরো হেডামইহন না ক্যান, এখানে আইসা আপনারে প্যান্ট খুলতেই হবে,সো ভাব কম নেন ঠিকাছে !!!!!
লোকটা চরম লজ্জিত হয়েঅন্য টয়লেটে গিয়ে বসলেন । আরামসে কাজ চালাচ্ছেন , এমন সময় দেখলেন, সেখানে লেখা,
.
এইযে ভাই , টয়লেট চেন্জ কইরা আসছেন ভাল, কিন্তু মনে রাখবেন , আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু কোন চিত্রকল্প না যে মানুষরে দেখানোর জন্য রেখে যাবেন। সো পরিমিত পানি ব্যবহার করুন , কিপ্টামি করবেন না ,
ঠিকাছে !!!
May 18
চারজন কে বিয়ে করব।
ট্রেনে দুজন মেয়ে কথা বলছিল, তাদের
কেমন
স্বামী পছন্দ তাই নিয়ে।।
তাদের মধ্যে-
প্রথম মেয়ে: আমি আমার
স্বামী হিসাবে এমন
একজনকে চাই যে কোটিপতি হবে।
দ্বিতীয় মেয়ে: আর যদি সেরকম
স্বামী না পাস,
তাহলে কী করবি??
প্রথম মেয়ে: তাহলে, পঞ্চাশ লাখ টাকার
মালিক, এমন দুজন কে বিয়ে করব।
দ্বিতীয় মেয়ে: আর সেই রকম স্বামীও
যদি না পাস, তাহলে??
প্রথম মেয়ে তাহলে, পঁচিশ লাখ টাকার
মালিক,
এমন চারজন কে বিয়ে করব।
উপরের বার্থে শুয়ে থাকা পিকলু
এতোক্ষন সব
শুনছিল, এবার সে বলে উঠল…
.
এই যে দিদিভাই, আপনি প্রশ্নপর্ব
চালিয়ে যান,
এইভাবে নামতে নামতে যখন
একশো টাকায়
আসবে, আমাকে ডেকে দেবেন।
May 18
GP এর নতুন বিজ্ঞাপন।
ভাই , বাঁশ কতো করে ?
– ২০০ টাকা ।
– ১৫০ টাকা রাখা যায় না ?
– আচ্ছা , ঠিক আছে ।
– ভাই , বাঁশের উপরের অংশ তো লাগেনা,ওইটা বাদ দিলে আরো ২০ টাকা কম পাবো না?
– আচ্ছা , আরো ২০ টাকা কম দিয়েন ।
– ভাই , বাঁশে তো অনেক আগাছা লেগেআছে,ওগুলো ছেঁটে ফেলে দিলে আরো ৫ টাকা কম পাবো না ?
– আচ্ছা যান ৫ টাকা কম দিয়েন ।
ভাই আপনার কি ধারনা এই বাঁশ দিয়া আমিবাঁশের কেল্লা বানাবো ? মাসুম বাচ্চা,বায়না ধরেছে বাঁশের মাচা বানিয়ে খেলাকরবে ।
( বাঁশওয়ালা কাঁদো কাঁদো সুরে )- ভাই , যান আরো পাঁচ টাকা কম দিয়েন।
– ভাই , বাঁশগুলো যদি আমি নিজে কেটে নিয়ে যাই আরো দশটা টাকা কম পাওয়া যাবেনা ?
বাঁশওয়ালা মুখ শক্ত করে বাঁশ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বললেন –
– ভাই ,বাঁশ কেনা লাগবো না । আপনার GP সিম চালু করে কথা বলতে বলতে বাসায় যান, দেখেন GP কিভাবে আপনারে বাঁশ দেয় ।
May 17
যা বুঝার আপনারা বুঝে নিন।
বল্টু গেল ডাক্তারের কাছে,তার পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা।
-কীভাবে হল? ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন।
-আজ অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে দেখলাম আমার স্ত্রী নেই,শেষে বারান্দায় একটা কিছুর শব্দ পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্ত্রী দাঁড়িয়ে আছে আর একটা লোক শার্ট পরতে পরতে রাস্তা দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে।
আমি যা বোঝার বুঝে নিলাম আর বাসার ডিপ ফ্রিজটা তুলে লোকটার গা বরাবর ছুড়ে মারলাম।
এত বড় ফ্রিজটা ছুড়ে মারতে গিয়ে এই অবস্থা।
বল্টু চলে যাওয়ার ডাক্তারের কাছে গেল দ্বিতীয় রোগী,যার অবস্থা আরো খারাপ।
সে জানাল-আজ থেকে আমার নতুন চাকরিতে যোগ দেয়ার কথা, সকাল উঠে দেখি অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তাই শার্ট পরতে পরতে দৌড়ে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলাম, হঠাৎ কোত্থেকে একটা ফ্রিজ এসে ধড়াম করে পড়ল আমার গায়ে।
তাই শার্ট পরতে পরতে দৌড়ে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলাম, হঠাৎ কোত্থেকে একটা ফ্রিজ এসে ধড়াম করে পড়ল আমার গায়ে।
এরপর এল তৃতীয় রোগী,তার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
সে বলল -বড় একটা বিপদ থেকে বাঁচতে ডিপ ফ্রিজের ভিতর ঢুকে বসে ছিলাম, তারপর কোন এক হারামজাদা এসে ডিপ ফ্রিজটাই রাস্তায় ফেলে দিল


