সান্টু আর মন্টু গাড়ি করে যাচ্ছিল। চালকের আসনে ছিল মন্টু।
সান্টু: কিরে, এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছিস কেন?
মন্টু: দোস্ত, গাড়ির ব্রেক ফেইল হয়ে গেছে!
সান্টু: আরে গাধা, তাহলে গতি বাড়াচ্ছিস কেন? গতি কমা!
মন্টু: না, না! যে করেই হোক, অ্যাকসিডেন্ট হওয়ার আগে আগে বাড়ি পৌঁছতে হবে!
Jul 21
অসাধারণ বুদ্ধি
Jul 21
গোপন জিনিস দেখাব
ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধকরে দিন!
স্যারঃ কেন?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা গোপন জিনিস দেখাব!!!
স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে সবকিছু বন্ধ করে দিন যাতে আলো না আশে !!
স্যারঃ তারপর?? আর?
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন
স্যারঃ ওহ !! তারপর? আর কি করবো বলো?
ছাত্রীঃ স্যার এবার দেখেন। আমার ঘড়িতে লাইট জ্বলে !
Jul 21
কার্বুরেটরে সমস্যা
এক লোকের গাড়ি রাস্তায় নষ্ট হয়ে গেছে । লোকটা অনেক চেষ্টা করেও সমস্যা ধরতে পারলো না । হঠাৎ কে যেন বললো–“মনে হচ্ছে কার্বুরেটরে সমস্যা লোকটা তাকিয়ে দেখে দেওয়ালের উপর বসা এক বিড়াল কথাটা বলেছে । বিড়ালকে মানুষের ভাষায় কথা বলার মতো ভূতুড়ে ব্যাপার দেখে লোকটা আতঙ্কে ঠান্ডা হয়ে গেল । সে দৌড় দিলো পালানোর জন্য । একজন পথচারীর সাথে ধাক্কা লাগলো মাঝপথে । গাড়ির মালিক ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বললো–“একটা বিড়াল বলেছে আমার গাড়ির কার্বুরেটরে সমস্যা !” পথচারীর–“বিড়াল গাড়ির কিছু বোঝে নাকি? আপনি বরং মেকানিক দেখান ।
Jul 20
বড় মুদ্রা
হাটবারের দিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে জড়বুদ্ধির মতো আচরণ করতেন হোজ্জা, ফলে নির্বোধ ভেবে মানুষ তাকে মুদ্রা দান করত। কিন্তু তার সামনে দুটি মুদ্রা তুলে ধরা হলে, সর্বদাই তিনি ছোট মুদ্রাটি গ্রহণ করতেন, যতবারই, যেভাবেই দেয়া হোক না কেন।
একদিন সদাশয় এক ব্যক্তি তাকে বললেন, “নাসিরুদ্দীন, তুমি তো বড় মুদ্রাটা নিতে পার। এতে তোমার দ্রুত বেশ কিছু টাকা-পয়সা জমে যাবে আর মানুষও আগের মতো তোমাকে নিয়ে তামাশা করতে পারবে না।”
“হুমম, আপনি যা বলছেন তা হয়তো ঠিক হতে পারে। কিন্তু আমি ভাবছি, আমি যদি সবসময় বড় মুদ্রাটা গ্রহণ করি, তাহলে মানুষ আমাকে তাদের চেয়েও নির্বোধ ভেবে যে আনন্দটা পায়, সে আনন্দটা আর পাবে না, ফলে দান হয়তো একেবারেই বন্ধ করে দিবে।” হোজ্জা জবাব দেন।



