স্বামী গভীর রাতে বাসায় আসলো। আস্তে করে বেডরুমের দরজা খুলে বিছানার দিকে তাকাতেই দেখতে পেল কম্বলের নিচ দিয়ে দুই জোড়া পা দেখা যাচ্ছে। তার মাথায় মুহূর্তেই রক্ত
চড়ে গেল। পাশে থাকা একটি বেসবল ব্যাট দিয়ে ইচ্ছামত ১০-১৫ মিনিট পিটিয়ে ক্লান্ত হয়ে ডায়নিং রুমে গেল পানি পান করতে। গিয়ে দেখল তার স্ত্রী সেখানে খাবার নিয়ে বসে আছে!!! তাকে দেখে স্ত্রী বললঃ “তোমার ভাই-ভাবী ঘন্টা দুই আগে এসেছেন। আমি আমাদের বেডরুমে উনাদের থাকতে দিয়েছি। আশা করি তুমি ওঁদের স্বাগত জানিয়ে এসেছো!
Mar 01
স্বাগত স্বাগত স্বাগত
Mar 01
বোলতার কামড়
বনে কাঠ কাটতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়ে বাড়ি ফিরল গেদু।
বোলতা কামড় দিয়েছে তার জায়গা মত।
জিনিষটা হয়েছে দেখার মত। ইয়া মোটা।
প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে বাড়ি এসে বউকে দেখানোর পর বউ লতাপাতা বেটে লাগাতে লাগাতে বলল, ঈশ্বর ব্যথাটা কমিয়ে দাও, ফুলাটা কমাইও না, যেভাবে আছে সেভাবে থাক
Mar 01
খালি টিপে আর টিপে
রফিক খুব অসুস্থ। একদিন
রফিক আর তার বউ পলি
ডাক্তারের কাছে গেছে।
(ডাক্তার আর পলির মধ্যে কথোপকথন)
ডাক্তারঃ আপনার স্বামীর তো লো পেশার, তাকে বেশি বেশি দুধ খাওয়াবেন!!
পলি জবাবেঃ “আমি তো দুধ
খাইতেই দেই, কিন্তু হ্যায়
খালি টিপে আর টিপে!
Feb 22
দেখা হে পেহলি বার
অনেক মোটা একটা লোক সাইকেল চালাচ্ছিল…
আর ফুর্তিতে গান গাচ্ছিলো… “দেখা হে পেহলি বার, সাজন কি আখোঁ মে পেয়ার”
এক ছোট বাচ্চা দেখে হাসতে লাগলো।
রেগে গিয়ে মোটা লোকটা বললঃ “কি হয়েছে”?
বাচ্চা তখন বললঃ “দেখা হে পেহলি বার, সাইকেল মে হাতি সওয়ার’
Feb 22
ওটা মিসকল ছিল
মন্টু আর মলির মধ্যে ভীষণ প্রেম। দিনভর কথা বলতে বলতে মোবাইলটা তাদের কানের অংশ হয়ে উঠেছে। একদিন মন্টু বলল, ওগো শুনছ, শুনলাম মোবাইলে এত বেশি কথা বললে নাকি অসুখ- বিসুখ করতে পারে। চলো, আমরা এবার নতুন কিছু করি। পুরোনো দিনে ফিরে যাই। এখন থেকে আমরা চিঠি আদান- প্রদান করব। শুনে মলি বলল, হু। তা তো ভালোই বলেছ গো। কিন্তু চিঠি দেব কী করে? মন্টু: কেন? প্রাচীনকালের মতোই। কবুতরের পায়ে বেঁধে! ব্যস। পরদিন থেকে শুরু হলো চিঠি আদান- প্রদান। চিঠি আসে, চিঠি যায়। কবুতর বেচারার ত্রাহি ত্রাহি দশা! একসময় মলির কাছে উড়ে এল কবুতর, কিন্তু পায়ে কোনো চিঠি বাঁধা নেই। নিয়ম ভেঙে মন্টুকে ফোন করে বসল মলি, কী গো, কবুতরের পায়ে তো কিছু বাঁধা নেই। তুমি কিছু লেখোনি? মন্টু: আহ! বুঝলে না? ওটা মিসকল ছিল।


