খুদে আলু চাষ

এক বুড়া বাপ তার  ছেলেকে জেলে চিঠি লিখেঃ ‘বেটা, আমার অনেক বয়ষ হইছে। এত বড় ক্ষেত খুদে আলু চাষ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। তুই থাকলে একটু সাহায্য করতে পারতি।
ছেলে জেল থেকে বাবাকে চিঠিতে জবাব দেয়ঃ ‘তুমি ক্ষেত খুইদ না। ক্ষেতে আমি আমার অস্ত্র লুকিয়ে রাখছি।’
পরেরদিন কতগুলো পুলিশ গিয়ে পুরো ক্ষেতখুদে দেখ্ল, কিন্তু অস্ত্র পেলো না।
ছেলে আবার তার বাবাকে চিঠি লিখ্লঃ ‘বাবা,আমি জেলে থেকে তোমার এতটুকু সাহায্যই করতে পারলাম। এখন শুধু আলুর বীজ লাগিয়ে দেউ।‘

একদাম বিশ টাকা

এক ট্রেনে করে বল্টু আর এক চাইনিজ লোক কোথাও ভ্রমন করতে যাচ্ছিলো। তো তাদের সেই কামরায় হঠাৎ করে একটা তেলাপোকা ঢুকে পরে। চাইনিজ লোকটা সাথে সাথে সেই
তেলাপোকা ধরে কচকচ করে খেয়ে ফেলে। বল্টু তো দেখে অবাক। কিছুক্ষন যাবার পর আবার আরেকটা তেলাপোকা সেই কামরায় ঢুকে পরে। এবার বল্টু খপ করে সেই
তেলাপোকা ধরে ফেলে আর চাইনিজ লোকটাকে দেখিয়ে দেখিয়ে বলে, “একদাম বিশ টাকা! কিনবি?”
** বাঙালীতো !
বুদ্ধিতো হবেই!

ফুটা তো বড় হয়ে

বিয়ের আগে এক মেয়ে তার বান্ধবীকে বলছে, দোস্ত ফুটা তো বড় হয়ে গেছে স্বামী যদি বুঝতে পারে?

বান্ধবীঃ অসুবিধা নাই, যখন করবে তখন জোরে জোরে চিৎকার করবি ওরে বাবা রে মরে গেলাম রে।

বাসর রাতে লাইট বন্ধ করার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ অন্ধকারে স্বামীও চিৎকার শুরু করছে বউও চিৎকার শুরু করছে ওরে বাবারে মরে গেলাম রে।<

বউ চিত্‍কার থামিয়ে অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করলো, কি ব্যাপার? কি হলো? এত জোরে জোরে চিৎকার করছো কেন?

স্বামী খেপে গেয়ে বললো, আমার বিচিসহ ভিতরে চলে গেছে, চিত্‍কার করবো নাকি আর কি করবো!

বউ করতে ইচ্ছা করতেছে

বল্টুর বউ খুব রাগি, বল্টুও তার বউকে খুব ভয় পায়| একদিন সন্ধায় বল্টু খাটের উপর বসে ১টাকার দুটা কয়েন হাতে নিয়ে টুং টুং টুং শব্দ করছে| এটা দেখে তার বউ রেগে গিয়ে বলল, “কি করতেছ এইসব, হ্যাঁ?? বন্ধ করো!!” বল্টুও ভয়ে কয়েন দুটা পকেটে রেখে দিল|| রাতে তার বউ দরজা জানালা সব বন্ধ করে, আলো নিবিয়ে বল্টুর মুখের
কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে আদুরে গলায় বলল, “করতে ইচ্ছা করতেছে?? করবা??” বল্টু মাথা নেড়ে হ্যাঁ সম্মতি জানলো, তা দেখে বউ খাটে শুয়ে পড়ল আর বলল, “করো তাহলে”|
তা শুনে খুশি হয়ে বল্টু তার পকেট থেক কয়েন দুটা বের করে আবারো টুং টুং টুং শব্দ করতে লাগল….!

মৌমাছিটা বৌয়ের ইয়ে’তে

এক রাতে এক দম্পতি সেক্স করছিল। এসময় তাদের ঘরে একটা মৌমাছি ঢুকে পড়ল। জামাই বউয়ের ইয়ে’তে মাল ছেড়ে ইয়ে বার করতে হঠাৎ করে মৌমাছিটা বৌয়ের ইয়ে’তে ঢুকে পড়ল। জামাই মহা চিন্তিত হয়ে বৌকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। ডাক্তার তাদের কথা মন দিয়ে শুনে কিছুক্ষন চিন্তা করে করে বলল, ‘হুম, ব্যাথা না দিয়ে আপনার স্ত্রীর ইয়ে থেকে মৌমাছিটা বের করার একটাই উপায় আছে। আমি আমার ইয়ে মধু মাখিয়ে আপনার স্ত্রীর ইয়ে’তে ঢুকাবো আর বের করবো, সেই মধুর নেশায় মৌমাছিও বের হয়ে আসবে।’
উপায় না দেখে স্বামী তাতেই নিমরাজি হলো। ডাক্তার তার ইয়ে’তে মধু মাখিয়ে বৌ’টার ইয়ে’তে ঢুকিয়ে থাপ দিতে লাগল। আস্তে আস্তে কয়েকটা থাপের পর ডাক্তার বলল, ‘মৌমাছিটা মনে হয় গন্ধ পায় নি, আরেকটু ভেতরে ঢুকাই’ বলে ডাক্তার আরো জোরে জোরে থাপ দিতে লাগল। মেয়েটা এবার বেশ উত্তেজনা আর সুখ বোধ করতে লাগল। সে শীৎকার দেয়া শুরু করল, ‘ওহহহহ! ডাক্তার… আআআহহহ!!’
গভীর মনোযোগের সাথে থাপাতে থাকা ডাক্তারের চেহারাতেও এবার যৌনত্তেজনার ভাব ফুটে উঠল। সে এবার মেয়েটার মাই দুটো ধরে চেপে থাপাতে লাগল।
এই দৃশ্য দেখে জামাই আর সহ্য করতে পারলো না। ‘একি! করছেন কি আপনি ডাক্তার?!’
‘প্ল্যান বদল, মৌমাছি ব্যাটাকে চুবিয়ে মারব’ ডাক্তারের জবাব।