একবার গভীর বনে তিন
পিঁপড়া বসে আড্ডা দিচ্ছিল ।এই
সময় তাদের
সামনে দিয়ে একটা হাতি হেঁটেযা
প্রথম পিঁপড়াঃ চল,
শালারে মেরে গুম করে ফেলি!
দ্বিতীয়
পিঁপড়াঃ আরে থাক,
মেরে ফেলার দরকার নেই ! এর
চেয়ে চল মেরে হাত
পা ভেঙ্গে দেই !
.
তৃতীয় পিঁপড়াঃ আরে থাক থাক !
মাফ কইরা দে ! আমরা তিনজন, আর
বেচারা একলা !
Category: পাঁচমিশালী
May 30
তিন পিঁপড়া এক হাতি
May 29
নিশ্চিত হোন
দুই বন্ধু বন্দুক হাতে বনে গেলো শিকার করতে। হঠাৎ করে একটি গাছ ভেঙ্গে এক বন্ধুর উপরে পড়ল। অপর বন্ধু কি করবে বুঝতে না পেরে হাসপাতালে ফোন দিল। ডাক্তারকে বললো, আমার বন্ধু মনে হয় মারা গেছে এখন আমি কি করতে পারি?
ডাক্তার রোগীর অবস্থা বুঝবার চেষ্টা করলেন এবং বললেনঃ আপনি শান্ত হোন। আপনি আগে নিশ্চিত হোন যে সে মারা গেছে কিনা?
বন্ধুটি কিছুক্ষণ চিন্তা করল এবং কি করবে বুঝতে না পেরে হঠাৎ তার বন্দুক দিয়ে বন্ধুকে একটি গুলি করল এবং ডাক্তারকে বলল, এবার আমি নিশ্চিত সে মৃত, এখন বলুন কি করতে হবে?
May 29
চুলকানি
দুয়ারে নতুন বছর। ভাগ্যের হালচালটা জেনে নিতে হাবলু হানা দিল এক জ্যোতিষবাবার আস্তানায়। বলল, ‘বাবা, কদিন হলো ডান হাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?’
জ্যোতিষবাবা: হুম্! তোর ওপর মঙ্গলের প্রভাব রয়েছে। আসছে বছর তোর হাতে প্রচুর টাকা আসবে।
হাবলু: বাবা, আমার বাঁ হাতের তালুও চুলকায়।
জ্যোতিষবাবা: বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ!
হাবলু: (খুশিতে গদগদ হয়ে) বাবা, আমার ডান পা’টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে।
জ্যোতিষবাবা: দূর ব্যাটা, তোর চুলকানি আছে। ডাক্তার দেখা।
May 29
মুরগি
মাথায় খাঁচাভর্তি মুরগি নিয়ে বাজারে যাচ্ছিল চাষিপুত্র। এমন সময় খাঁচাটা মাথা থেকে পড়ে ভেঙে গেল, মুরগিগুলোও ছাড়া পেয়ে সব এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করল। বহু কষ্টে সবগুলো মুরগি ধরে খাঁচার ভেতরে ঢুকাল চাষিপুত্র। ভয়ে ভয়ে বাড়ি ফিরল। চাষি বললেন, ‘কী রে, ফিরে এলি কেন?’
চাষিপুত্র: ইয়ে মানে, আব্বা, যাওয়ার পথে খাঁচাটা ভেঙে মুরগিগুলো বেরিয়ে গিয়েছিল। অবশ্য আমি ১১টা মুরগিই ধরে ফেলেছি, কোনোটাই পালাতে পারেনি।
চাষি: শাবাশ ব্যাটা! তুই সাতটা মুরগি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলি!
May 29
৫০০ বছর ধরে বোতলের মধ্যে
অল্পবয়সী একটি ছে
নির্জন
একটি রাস্তা দিয়ে হে
যেতে যেতে পথের
ধারে একটি খালি বোত
পরে থাকতে দেখল।
তারপর
যা করে অল্পবয়সীরা,
বোতলে মারলএক
লাথি।
‘হু হু হা হা হা’,
বিকাটাকৃতিএক
জ্বীন
বেরিয়েএসে বলল,
“আমি জ্বীন
৫০০ বছর
ধরে এই বোতলের
মধ্যে আছি, বল
তোর
কি চাই?”
ছেলেটি প্রথমে ঘাবরে গেলে
কথা শুনে তো ভীষণ
খুশী।
ভাবল,
এইতো আমারকপালখুল
এখন
তো যা চাইব, তা-ই পাব।
একটু
ভেবে ছেলেটিবলল, ”
কি চাই?
গুলশানে একটা বাড়ী চ
জ্বীন বলল,
“গুলশানে একটা বাড়ী?
হু হু
হা হা হা”। তার পরপরই
সজোরে একটি চড়
কষিয়ে দিল
ছেলেটির
গালে।
ছেলেটি তো হতবাক,
“চড়
মারলেন কেন?”
জ্বীন বলে,
“ব্যাটা গর্দভ,
গুলশানে একটা বাড়ীই
যদি করতে পারতাম,
তবে কি ৫০০ বছর
ধরে বোতলের
মধ্যে থাকতাম?


