Category: পাঁচমিশালী

আপনি ভূত

বল্টু আর হাবলু কবরস্থানে তাদের আত্মীয়ের
কবরে প্রার্থনা করে ফিরছিলো। এমন সময়
পাথরে পাথরে ঘষার কর্কশ আওয়াজ
শোনা গেলো। ভয়ে দুই বন্ধুর প্রাণ
যায় যায় অবস্থা। তাড়াতাড়ি কবরস্থান থেকে বের
হতে গিয়ে তারা দেখলো এক বৃদ্ধ কবরের নাম
ফলক ঘষছে। এই না দেখে দুই বন্ধুরভয়
কমে গেলো।
তারা বৃদ্ধকে বললোঃ আপনি আওয়াজ
করে আমাদের খুব
পাইয়ে দিয়েছিলেন। আমরা মনে করেছিলাম
আপনি ভূত।
বৃদ্ধ বললো,
আর বলো না। বোকার হদ্দ
মিস্ত্রী গুলো কবরের নাম ফলকে আমার
নামটা ভুল লিখেছে।

নিলামের তোতা

জামাল সাহেব নিলামে একটা তোতা কিনবেন। নিলাম শুরু হলো। জামাল দাম হাঁকালেন, ‘১০ হাজার টাকা।’
ভিড়ের মধ্যে চিকন গলায় কে যেন বলল, ‘৫০ হাজার টাকা।’
জামাল সাহেবের মেজাজ বিগড়ে গেল। ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার? কোন বড়লোকের ব্যাটা তোতাটা নিতে পারে, তিনি দেখে ছাড়বেন।
জামাল বললেন, ‘এক লাখ টাকা।’
চিকন গলা আবার বলল, ‘দুই লাখ।’
জামাল এবার খেপেই গেলেন। বললেন, ‘পাঁচ লাখ।’
কান পাতলেন, নাহ্, এবার আর কেউ পাল্টা দাম হাঁকাল না।
তোতাটা হাতে নিয়ে জামাল নিলামের সঞ্চালককে বললেন,
এটা কথা বলতে পারে তো? নইলে এত দাম দিয়ে কিনলাম কেন?’
নিলাম সঞ্চালক বললেন,
কথা বলতে পারে না মানে? আপনার কী মনে হয়? এতক্ষণ কে আপনার সঙ্গে পাল্টা দর হাঁকাচ্ছিল?’

পরাণ যায় জলিয়া রেএএএ

পরান নামে এক
থুরথুরে বুড়ো মারা গেছে,
তাকে শ্মশানে এনে পোড়ানো হচ্ছে। এদিকে, শ্মশানের পাশে এক
বাড়িতে বিয়ে হচ্ছে।
বিয়ে বাড়িতে হৈ-চৈ, প্রচন্ড
জোরে সাউন্ড-বক্সে গান বাজছে। শ্মশানে বুড়োকে পোড়াতে আসা লোকজ
খুব কান্নাকাটি করছিল। হঠাৎ
সবাই চুপ হয়ে গেল! কারণ,
তারা কাঁদবে, না হাসবে,
বুঝতে পারছেনা! .
বিয়ে বাড়িতে গান বাজছে . . . .
পরাণ যায় জলিয়া রেএএএ .. পরাণ
যায় জলিয়া রে…..

আমি ক্ষুধার্থ

ছেলেঃ বাবা, আমি ক্ষুধার্থ!
বাবাঃ হ্যালো ক্ষুধার্থ! আমি তোমার বাবা।

ছেলেঃ বাবা আমি সিরিয়াস।
বাবাঃ নাহ্‌! এইমাত্র বলেছ তুমি ক্ষুধার্থ!

ছেলেঃ উফ্‌! তুমি একটা জোকার।
বাবাঃ না…আমি তোমার বাবা।

সাদা চুল কালো চুল

পরিচিত রেস্টুরেন্টে খাওয়া শেষে খদ্দের
ওয়েটারকে ডেকে বলল, ‘তোমাদের আগের
বাবুর্চিটা মারা গেছে, তাই না?’
ওয়েটার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে,
‘আপনি কি করে জানলেন, স্যার? খাবার
কি খারাপ হয়েছে?’
খদ্দের জবাব দেয়, ‘না…খাবার ঠিকই আছে…
তবে আগে সাদা চুল পেতাম,
ইদানীং কালো চুল পাচ্ছি।