Tag Archive: এর

May 18

GP এর নতুন বিজ্ঞাপন।

ভাই , বাঁশ কতো করে ?
– ২০০ টাকা ।
– ১৫০ টাকা রাখা যায় না ?
– আচ্ছা , ঠিক আছে ।
– ভাই , বাঁশের উপরের অংশ তো লাগেনা,ওইটা বাদ দিলে আরো ২০ টাকা কম পাবো না?
– আচ্ছা , আরো ২০ টাকা কম দিয়েন ।
– ভাই , বাঁশে তো অনেক আগাছা লেগেআছে,ওগুলো ছেঁটে ফেলে দিলে আরো ৫ টাকা কম পাবো না ?
– আচ্ছা যান ৫ টাকা কম দিয়েন ।
ভাই আপনার কি ধারনা এই বাঁশ দিয়া আমিবাঁশের কেল্লা বানাবো ? মাসুম বাচ্চা,বায়না ধরেছে বাঁশের মাচা বানিয়ে খেলাকরবে ।
( বাঁশওয়ালা কাঁদো কাঁদো সুরে )- ভাই , যান আরো পাঁচ টাকা কম দিয়েন।
– ভাই , বাঁশগুলো যদি আমি নিজে কেটে নিয়ে যাই আরো দশটা টাকা কম পাওয়া যাবেনা ?
বাঁশওয়ালা মুখ শক্ত করে বাঁশ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বললেন –
– ভাই ,বাঁশ কেনা লাগবো না । আপনার GP সিম চালু করে কথা বলতে বলতে বাসায় যান, দেখেন GP কিভাবে আপনারে বাঁশ দেয় ।

May 14

১ এর ভিতর সব।

প্রথম বন্ধুঃ জানিস টগর এমন একটি মেয়েকে বিয়ে করেছে যে নাচ,গান,ছবি আঁকা, সাহিত্য,রাজনীতি,ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বায়োলজি সব জানে, তার ওপর কবিতাও লেখে! বোঝ!

দ্বিতীয় বন্ধুঃ আহা টগরের কী ভাগ্য রে, তবে ভাগ্যিস ও নিজে  রাঁধতে জানে!

May 09

ইংলিশে এর অর্থ কি

বাবা তার ছেলে কে পড়াচ্ছিলেন। বাকি সবাই টিভি দেখছিলেন।

বাবাঃ মাথার ইংলিশ হেড, পা এর ইংলিশ লেগ, নাক এর ইংলিশ নোস, হাত এর ইংলিশ হ্যান্ড। এভাবে শরীর এর সব ইংলিশ পড়াচ্ছিলেন।

ছেলেঃ চিন্তিত হয়ে বাবা নুনুর ইংলিশ কি?

May 09

কিস এর বদলে টাকা

প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম।
ইতি তোমার স্বামী (অমুক)।
তার বউ কিছুদিনপর সে চিঠির উত্তর দিল এভাবে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।
১। দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধদিতে রাজি হয়েছে।
২। বিদ্যুত বিলওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।
৩। বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।
৪। সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই… (সেন্সর)
৫। আর অন্যান্যখাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।
আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশাকরছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।

Nov 06

এর একটু হলেই ধরা পড়তাম।

কোন এক অপিসের এক পাঞ্জাবী কেরানী সদা- সর্বদাই মালিকের ভয়ে তটস্ত হয়ে থাকত। । একদিন সে তার সহকমীকে বললে , ভাই আজ শরীরটা বড় খারাপ লাগছে বোধ হয় অসুখ করছে । তার সহকর্মী বলে বাড়ী গিয়ে শুয়ে পড়ো গে । ও বাবা তা পারব না । কেন?

মালিক দেখে ফেললে বরখাস্ত করবে ।বোকামি কোর না । মালিক তো আজ আসেইনায়। শেষ পর্যন্ত সহকর্মীর কথা বিশ্বাস করে । বাড়ি ফিরে জানাল উকি দিয়ে দেখে যে আফিসের মালিক তার স্ত্রীর সাথে হাসি মসকরায় মগ্ন। এক ছুটে সে ফিরে এসে তিরস্কার করে বলে তুমিতো খুব হৈতেষী বন্ধু দেখছি । তোমার কথা শুনে বাড়ি ঢুকলে হয়েছিলো আর কি । এর একটু হলেই ধরা পড়তাম।

» Newer posts