লোডশেডিং

এক লোকের খুব বাথরুম পেয়েছে। বাথরুমে যাবে, ঠিক এমন সময় লোডশেডিং। লোকটির বাথরুমের বেগ আরো বেড়ে গেলো। সারা বাড়ি খুঁজে একটা মোম করে সেটা জ্বালিয়ে যেই
বাথরুমে ঢুকতে যাবে, ঠিক তখনি এক বন্ধু এসে মোমবাতিটি নিভিয়ে দিয়ে গান গাইতে শুরু করল- হ্যাপি বার্থডে টু ইয়্যূ…হ্যাপি বার্থডে টু ইয়্যূ… লোকটি রাগে গজগজ করতে করতে বলল, এইবার আয় তোরে কেক খাওয়াই…

চাইনা মোবাইল

স্ত্রী:তুমি আমাকে কতটুকু ভালোবাসো ?
স্বামী: আমি তোমাকে বাম ভালবাসি, কখনও তোমাকে বুলতে পারবনা ।
স্ত্রী: তুমি আমাকে কেমন ভালোবাসো একটো খুলে বলনা
স্বামী: okey, যেমন ধরো আমি হোলাম মোবাইল আর তুমি সিম কার্ড সিম কার্ড ছাড়া মোবাইল যেমন তোমাই ছাড়া আমি তেমন।
স্ত্রী: woow,, দারুন রোমান্টিক ,,
স্বামী: (মনে মনে) আল্লাহ বাচাইছে সে বুজতে পারেনি আমি একটা চাইনা মোবাইল আর এর ভিতরে চারটা সিম ঢুকানু আছে।

লিঙ্গ সমস্যা

একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন। সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।

তো তারা গেলেন খালেদা জিয়ার কাছে। ম্যাডাম, কাঁঠাল কোন লিঙ্গ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না। আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি। তিনি জানিয়ে দিবেন।

কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না। তখন তারা গেল এরশাদের কাছে। এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঁঠাল হল পুং লিঙ্গ। কারণ কাঁঠালের বিচি আছে।

এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।
আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ? জানতে চাওয়া হল প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে। খালেদা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে। সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।

এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ। এবারও যথারীতি খালেদা জিয়া ফেলটুস। বলতে পারলেন না। অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা। তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।

CONFUSE

বাসর রাতে বল্টু তো খুব CONFUSE! বউয়ের সাথে যে কি কথা বলবে? আধা ঘন্টা অনেক চিন্তা ভাবনা করার পর বল্টু তার বউকে বলল আপনার বাসার লোকেরা কি জানে যে আজকে আপনি এখানে থাকবেন ।

আইনস্টাইন

আইনস্টাইন এর প্রতিটি সেমিনারেই পিছনে বসে লেকচার শুনতে শুনতে তার ড্রাইভার একবার তাকে বলেই বসল আপনি তো সব জায়গায় একি লেকচার বারবার দেন, তারপর ও লোকজন আপনার লেকচার যে কেন শুনে? আমি আপনার লেকচার এতোবার শুনেছি যে এখন চাইলে আমিই আপনার লেকচার দিতে পারি।” এর পরবর্তী সেমিনারে আইনস্টাইন তার ড্রাইভারের সাথে পোশাক পরিবর্তন করে সেমিনারএর পিছনে..বসে রইলেন…. আর তার ড্রাইভার লেকচার দিতে শুরু করলো।অত্যন্ত নিখুতও সাবলীলভাবে লেকচার শেষ করার পর প্রশ্ন উত্তর পর্বে এক দর্শক এমন এক প্রশ্ন করে বসলো যার উত্তর ড্রাইভারের জানা নাই। ড্রাইভারের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া,”আপনি খুবই সহজ একটা প্রশ্ন করেছেন, আপনার প্রশ্নটা এতোই সহজ যে আমি নিশ্চিত সেমিনারের পিছনে বসে থাকা আমার ড্রাইভারও এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।