বল্টু তার বউ- কে কুমিল্লা থেকে ফোন করল.ফোনটা এক চাকর ধরল-
চাকর : হ্যালো।
বল্টু : ম্যাম সাহেবকে ফোনটা দে।
চাকর : কিন্তু ম্যাম সাহেব তো সাহেবের সাথে বেড রুমে ঘুমাচ্ছে।
বল্টু : মানে?? সাহেব তো আমি ।
চাকর : আমি এখন কি করব??
বল্টু : দুইজনকে-ই গুলি করে মেরে ফেল ৫ লাখটাকা দিব।
চাকর দুইজন- কে গুলি করে মারার পর,
চাকর : সাহেব, লাশ ২টা এখন কি করব??
বল্টু : লাশ ২টা বাড়ির পিছনের swimming pool এ ফেলে দে।
চাকর : কিন্তু সাহেব, বাড়ির পিছনেতো কোন swimming pool নেই.
বল্টু : নেই??? ওহ sorry
তাহলে wrong number!!!
Sep 17
ম্যাম সাহেব তো বেড রুমে
Sep 17
লুঙ্গি নেই
ঘুম থেকে উঠে দেখি লুঙ্গি নেই ! বিছানার পাশে দেখি একটা চিঠিতে আমার বন্ধু লিখে গেছে,”দোস্ত,তোর লুঙ্গিটা নিয়ে গেলাম । আজ কলেজে লুঙ্গি ড্যান্স দিমু । কিছু মনে করিস না।” কি যুগ আইল । বন্ধুরে বিবস্ত্র কইরা লুঙ্গি নিয়া যায় লুঙ্গি ড্যান্স দিবার লাগি !
Sep 16
কিস করবো
ছেলে : আমি তোকে স্পর্শ না করেই কিস করবো!
মেয়ে : তুই এটা কখনো করতে পারবি না!
ছেলে : তাইলে বাজি ১০ টাকা!? মেয়ে : ঠিক আছে! ছেলেটি মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে কিস করলো!! তারপর মেয়েটি রাগান্বিত হয়ে বলল, “ আমাকে স্পর্শ করলি ক্যান??ছেলেটি উত্তর দিল মাথা ঠান্ডা কর “ এই নে ১০ টাকা!
Sep 13
লুঙ্গি আবিষ্কারের কাহিনী
লুঙ্গি আবিষ্কারের কাহিনীটা কেউ জানেন? বেশ মজার কাহিনী কিন্ত। পড়ুন তাহলে – বার্মায় এক রাজা রাজ দরবারে মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। হঠাৎ তাঁর প্রচন্ড টয়লেট চাপলো।
তাই তিনি মন্ত্রীদের ৫ মিনিট অপেক্ষা করার কথা বলে টয়লেটে গেলেন। কিন্তু সমস্যা হল পাজামার গিট খুলছিলোনা। প্যাচিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় পাজামা খোলতে না পেরে বাধ্য হয়েই পাজামা পরেই অবস্থায় কাজ সারতে হলো। পাজামায় মল- মূত্র লেপ্টে থাকায় তিনি বের হতেও পারছিলেননা। টয়লেটে বসেই মনস্থ করলেন দর্জিকে বলবেন যে এমন একটি পাজামা বানাতে যাতে কর পাজামার গিট প্যাচিয়ে গেলেও টয়লেট করতে সমস্যা না হয়। অতঃপর রাজার ব্যাক্তিগত দর্জি অনেক চিন্তা- ভাবনা করে একটি পাজামার মডেল আবিষ্কার করলেন। সেই মডেলটি হলো লুঙ্গি।
Sep 11
ক্রেজি সেক্রেটারি
এক বিবাহিত লোক ঠিক করলো সে তার সুন্দরী সেক্রেটারির সাথে অফ-আউয়ারে কাজ করবে(উদ্দেশ্য পরিষ্কার!!!) সে কোন রকম একটা অজুহাত দাড় করিয়ে বৌ কে ম্যনেজ করলো।
তো কাজ শেষে সে তার সেক্রেটারিকে নিয়ে গেলো ডিনারে। ঘটনার পরিক্রমাই এক সময় সে সুন্দরী সেক্রেটারির নির্জন এপার্টমেন্টে এসে পৌছালো এবং “যাহবার তাই হলো!!!”
কিন্তু সেক্রেটারি ছিল অনেক বেশি“ক্রেজি”!!! উত্তেজনার বশে সে লোকটার নাকে মুখে খামছে দাগ করে দিলো।
লোকটা তো বাসায় ফেরার পথে ভেবেই পাইনা বৌকে কিভাবে বোঝাবে।তো দশ-পাঁচ চিন্তা করতে করতে এক সময় সে বাসাতে আসলো।
বাসাতে আসার সাথে সাথে তার আদরের কুকুর টা তার দিকে দৌড়ে আসলো। ব্যস……সাথে সাথে তার মাথাতে বুদ্ধি খেলে গেলো!!!
সে বাসার মেঝেতে পড়ে যাবার ভান করে শুয়ে পড়লো এবং চিৎকার করে বৌকে ডেকে বলল-
”বৌ বৌ দেখো তোমার কুকুর আমার কি করেছে!!!! আমার নাক মুখ তো শেষ!!!”
এক বুক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বৌ পরম স্বস্তির হাসি হেসে বলে-
“আরে ওইটা তো কিছুই না। দেখো তোমার কুকুর আমার কি করেছে”


