স্বামীর সোনা দানা

একদিন রিক্সায় করে স্বামী এবং স্ত্রী বেড়াইতে যাইতেছিল। হঠাৎ চাকু হাতে এক ছিনতাইকারী এসে তাদের ধরল…
ছিনতাইকারিঃ আপনাদের কাছে সোনা দানা যা কিছু আছে দিয়া দেন।
মহিলাঃ আমার কাছে সোনা দানা কিছুই নাই। পাশে যে লোকটিকে দেখছেন উনি আমার স্বামী, উনার কাছে একটা সোনা আর দুইটা দানা আছে, কোন কাজের না, লইয়া যাইতে পারেন।

কে এই ভদ্রলোক

দুধ বহনকারী গাড়িটা অন্যগাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে গেল। দুধে ভেসে গেল রাস্তা। ভিড় জমে গেল।
ভিড়ের মাঝ থেকে অমায়িক চেহারার এক ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে দুধ বহনকারী গাড়ীর ড্রাইভারকে বললেন, এ-জন্য নিশ্চয়ই তোমার মালিক তোমাকে দায়ী করবে। ক্ষতিপূরণ চাইবে।
: জি।
: তুমি তো গরিব। এত টাকা পাবে কোথায়? এক কাজ কর-এই আমি পাঁচ টাকা দিলাম, এখন অন্যান্যদের কাছ থেকে আরো কিছু-কিছু নিলে বোধহয় হয়ে যাবে তোমার। কিছুক্ষণের মাঝেই বেশ কিছু টাকা উঠে গেল। ভিড় কমে গেলে ভদ্রলোকটিও চলে গেলেন।
একজন পথিক বলে উঠল, কে এই ভদ্রলোক?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ড্রাইভার বলল, এই গাড়ীর মালিক।

কলা

রঞ্জু মিয়া বড়ই কৃপণ। একবার তিনি গেছেন কলা কিনতে।
রঞ্জু মিয়া: কি ভাই, এই ছোট্ট কলাটার দাম কত?
বিক্রেতা: তিন টাকা।
রঞ্জু মিয়া: দুই টাকায় দেবে কি না বলো?
বিক্রেতা: বলেন কি! কলার ছোকলার দামই তো দুই টাকা।
রঞ্জু মিয়া: এই নাও এক টাকা। ছোকলা রেখে আমাকে কলা দাও!

কানা

লোক- এই যে, তুমি যে ভিক্ষা চাইছো,
কিভাবে বুঝবো যে তুমি কানা?
ভিক্ষুক- এই যে দূরে একটা গরু দেখতাছেন,
ওইটা আমি দেখতাছি না।

ফোন নাম্বার

ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২-১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম- মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন?