নবাগত বাচ্চা

এক পুলিশ অফিসার মোটেই আর্মি সহ্য করতে পারে না।

আর্মির কাউকে দেখলেই সে চান্সে থাকে কিভাবে পচানো যায়।

একদিন তার সামনে পড়লো আর্মির এক সিপাহী।
… পুলিশ তখন বলল- কি হে , শুনলাম তোমরা যখন টানা কয়েক বছর বিদেশে থাকো, তারপর দেশে ফিরে দেখ তোমাদের বউ-এর কোলে নবজাতক সন্তান। সত্য নাকি ?
সিপাহী কিছু বলল না।
পুলিশ- তা তোমরা ঐ সব অবৈধ বাচ্চাগুলো নিয়ে কি করো ?

.
.
.
.

সিপাহীর উত্তর- কি আর করি, বড় হলে নিয়ে গিয়ে পুলিশে ভর্তি করিয়ে দেই।

মেয়ের জন্য বতাম

প্রেমিকাঃ তোমরা ছেলেরা কোন কাজই নিজেরা করতে পার না। একটা বোতাম সেলাই করার জন্যও তোমাদের মেয়েদের দরকার হয়।
প্রেমিকঃ আরে মেয়েরা না থাকলে তো বোতামের দরকারই হতো না।

আখানে কোন মেয়ে নেই

ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি -তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে

কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই।চোর -বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। “ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য ? ” একজন কাচুমাচুভাবে বলল ” আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে …

ছেলেকে বিয়ে করিস

১৯০০ সাল, মায়েরা নিজেদের মেয়েদেরকে বলতো, “আর যাই করিস মা, বিয়ে করলে অন্তত নিজের রাষ্ট্রের মধ্যে করিস।

১৯২৫ সাল, মায়েরা মেয়েদেরকে বলতো, “আর যাই কর মা, বিয়ে করলে অন্তত নিজের লেভেলের মধ্যে করিস।।”

১৯৫০ সাল, মা বলতো, “মা, অন্তত নিজের ধর্মের মধ্যে করিস।।।”

১৯৭৫ সাল, মা বলতো, “অন্তত নিজের দেশের মধ্যে করিস।”
আর এখন মায়েরা বলছে, “বিয়ে করলে অন্তত একটা ছেলেকে করিস।

এক বউ দুই স্বামী

২ বন্ধু রাস্তা তে হাটতে গল্প করছিলো…
উলটো পাশ থেকে ২ টা মেয়ে আসছিলো…

হটাৎ ১ম বন্ধুঃ ” সর্বনাশ…আমার বউ আর প্রেমিকা একসাথে আসছে…”
২য় বন্ধুঃ ” হে আল্লাহ… আমারো…”