সাবধান আর নিচে নামিস না

এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন – এমন জিনেসের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।

ছাত্র- চুল

শিক্ষক – কিভাবে ?

ছাত্র- মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ……

শিক্ষক- সাবধান আর নিচে নামিস না ।

আজও ওঠেননি

১ম বুন্ধু- মেই যে নদীতে গেল মাসে আমার ছোট ভাই একবার পানিতে ডুবে ৮ ঘন্টা কাটিয়েছে
২য় বন্ধু- আরে তুই জানিস না ? গেল বছরে আমার দাদা যে একবার ডুবছে আজও ওঠেননি

প্লেন এখনো ছাড়েনি

এরোপ্লেন চড়লে নীচের মানুষ গুলোকে একেবারে ছোট ছোট পিপড়া মত দেখায় যায় । এক নতুন এরোপ্লেন চড়া ভদ্রলোক প্লেনে উঠে তার পিপড়া দেখিয়ে বললেন ঐগুলি কিন্তু মানূষ প্লেনে চড়লে মানুষকে পিপড়ার মত দেখায় যায় । পাশের ভদ্রলোক হা করে সঙ্গের ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে বললেন আপনি যা দেখছেন তা সত্যি পিপড়া কারন প্লেন এখনো ছাড়েনি।

থালা বাসন জিভ দিয়ে সাফ

প্রবাসী বন্ধু অনেক দিন বাদে ঢাকার বন্ধুর বাড়ীতে অথিতী হয়ে আসছেন আজ তিন দিন। কথাচ্ছলে প্রবাসী বন্ধু বলেন দেখো ভাই গোড়া থেকে লক্ষ্য করছি তুমি তোমার কুকুরটাকে খুব ভালবাস।

বাসবো না । আমি তো ওকে একটা মানুষ বলেই ভাবি, যেদিন ঝি চাকর থাকেন না সে দিন ঐ কুকুরটা এটো থালা বাসন জিভ দিয়ে সাফ করে দেয় ।

লোক দেখানো গিয়েছিলাম

সেই যে বাড়ীতে এক অথিতি এসেছে , এক সপ্তাহ যায় দু সপ্তাহ যায় তবু নড়বার কোন লক্ষন নেই ।স্বামী স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায় । একদিন পাশের ঘরে অথিতিকে শুনিয়ে দুজন খুব ঝগড়া করতে লাগলো , মিছামিছি। স্ত্রীকে স্বামীর প্রহার এবং স্ত্রীর কান্নায় আওয়াজও শোনা গেল এক পর্যায়ে। গতিক সুবিধের নয় ভেবে অথিতি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে এক ফাকে বেরিয়ে গেল। জানালা দিয়ে স্বামী স্ত্রী দুজনায় তাদেখে ঝগড়া বন্ধ করে খুব এক চোট হেসে নিল- যে বুদ্ধি করে তারা অথিতি তাড়াতে পেরেছে । স্বামী বললো তোমার লাগে টাগে নিতো ? যে জোরে কাদছিলে । স্ত্রী বললো দূর এক্টুও লাগেনি। এতো লোক দেখান কেদেছিলাম । হাসিমুখে এক সময় অথিতির আর্বিভাব , হেঁ,হেঁ আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম ।