হাতিকে পেটানো

এক
পিঁপড়ে হাসিমুখে লাফাতে লাফাতে আসছে দেখে অন্য
এক পিঁপড়ে তাকে জিজ্ঞেস করল:
‘এত খুশি যে! ব্যাপার কী?’
‘আর বোলো না! সব জন্তু মিলে এক
হাতিকে বেদম পেটাচ্ছে।
মওকা পেয়ে আমিওদুই
ঘা লাগিয়ে দিয়েছি।’
পরদিন সেই একই পিঁপড়েকে গম্ভীর
মুখে আসতে দেখে অন্য
পিঁপড়াটি জানতে চাইল:
‘কী ব্যাপার ভায়া, মুখটা গম্ভীর যে!’
‘এক হাতিকে পেটানোর
কথা বলেছিলাম কাল, মনে আছে?
তো হাতিটা মরে গেছে। হত্যার
দায় চাপানো হয়েছে আমার ওপরে।’

হাতির ইয়াবাণ

জঙ্গলে এক সিংহ
ঘুমের বিড়ি খাচ্ছিল
তখন এক বানর
এসে বলে: ভাই ,নেশা ছাইড়া দাও ,আমার
সাথে আসো
-দেখো জঙ্গল কত
সুন্দর!

সিংহ বানরের
সাথে যেতে থাকলো
সামনে হাতি ইয়াবা
নিচ্ছিল …বানর
হাতিকেও একই
কথা বলল ….
এরপর হাতিও ওদের
সাথে চলতে শুরু
করলো ….

কিছুদুর
এগিয়ে তারা দেখল,
বাঘ বাংলা মদ
খাচ্ছে ,বানর তখন
তাকেও
একই কথায় বলল
সাথে সাথে বাঘ মদের
গ্লাস নামিয়ে রেখে —
বানরকে দিল
কইষা এক থাপ্পর

হাতি বলল —
বেচারাকে মারতছ
কেন?
বাঘ বলল–
|
এই
শালা কালকেও
গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩
ঘন্টা
ঘুরাইছিল !!

শাশুড়ি মৃত্যুতে জামাইয়ের মার্সিডিজ

শাশুড়ি একবার ঠিক করলো, তার দুই জামাই এর কে তাকে বেশি ভালোবাসে সেটা পরীক্ষা করবে। ১ম দিন সে ১ম জামাই এর সামনে নদীতে লাফ দিলো,
আর ডুবে যেতে লাগলো, দেখতে জামাই তাকে বাঁচায় কিনা

জামাই নদীতে লাফ দিয়ে তাকে বাঁচালো। শাশুড়ি তাকে খুশি হয়ে বাইক গিফট করলো।

পরের দিন সে ২য় জামাই এর
সামনে নদীতে লাফ দিলো, একই
পরীক্ষা করার জন্য।

কিন্তু এই জামাই তাকে দেখতে পারতো না, তাই সে বাঁচালো না। শাশুড়ি মারা গেলো।

কিন্তু পরের দিন দেখা গেলো ২য়
জামাই মার্সিডিজ নিয়ে ঘুরছে।

১ম জামাই অবাক হয়ে জিজ্ঞেস
করলোঃ এটা কোথায় পেলে?

২য় জামাই হেসে জবাব দিলো,
.
“আমার শ্বশুর খুশি হয়ে এটা গিফট করেছে!”

4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ

স্বামী & স্ত্রী :-*ক্রিকেট খেলা দেখছে
তো,
প্রথম উইকেট ৩ বলেই আউট হলো.
দ্বিতীয় উইকেট ৫ বলে আউট হলো.
তৃতীয় উইকেট ২ ওভারে আউট হলো

খেলার এক পর্যায়ে স্বামী চটে :-@ গিয়ে বললো. .
কি ব্যাটসম্যান মাঠে নামছে 5 মিনিট ও খেলতে পারে না ।

তখন স্ত্রী রেগে :বললোঃ
বুঝো এখন. . . .

তুমি যখন 4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ কর তখন আমার ক্যামন লাগে

অভাব

একটা পিচ্চি ছেলে আরেকটি পিচ্চি মেয়ে পাশাপাশি দুইটি বাড়িতে থাকে। ছেলেটির মা ছেলেটিকে একদিন একটা ফুটবল কিনে দিল। ছেলেটি সেটা মেয়েটিকে দেখালে মেয়েটি বলল আমাকে খেলতে নাও। ছেলেটি বলল, ‘এটা ছেলেদের খেলা। তুমি খেলতে পারবে না।’
মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল। পরেরদিন মা’কে বলে নিজে একটা ফুটবল কিনে ছেলেটিকে দেখিয়ে দেখিয়ে বাড়ির সামনে একা একা খেলতে লাগল।
ছেলেটি এবার একটা সাইকেলের ব্যবস্থা করে মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল, ‘তুমি এটা চালাতে পারবে না।’
কিন্তু দেখা গেল পরেরদিন মেয়েটিও সাইকেলে চড়ছে।
ছেলেটি এবার প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বলল, ‘এবার যাও, পারলে তোমার মা’কে বলো তো এমন কিছু তোমাকে কিনে দিতে পারে কিনা?’
পরের দিনে মেয়েটি বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘মা বলেছে যতদিন আমার এইটা থাকবে ততদিন তোমার মত ওরকম জিনিসের অভাব হবে না।’