Category: পাঁচমিশালী

হাসের রচনা

চান্দু একবার
বাংলা পরীক্ষা দিতে গেলো!!
পরীক্ষায় সবই কমন শুধু রচনা বাদে!!
রচনা আসছে হাঁস নিয়ে!! কিন্তু চান্দু
বেচারা তো আর এইটা পড়ে নাই!! তবুও
সে চেষ্টা করলো!! আসুন দেখি তার
চেষ্টাটা কেমন হয়েছিলো!!
হাঁস(যেই প্রাণী সারাক্ষণ প্যাঁকপ্যাঁক
করে আর খায়)
আমি হাঁস পছন্দ করি!! আমার বাসার
সবাইও মনে হয় পছন্দ করে!! যদিও
আমাকে বলে না, কিন্তু আমি বুঝি!!
হাঁস পানিতে থাকে!! আমিও
পানি খাই!! আমার পাশের বাসার
আঙ্কেল মদ খায়!!
মদ খুব খারাপ একটা জিনিস!! এইটা কিন্তু
আমি বলি নাই!!
এইটা জ্ঞানী গুণী লোকেরা বলছে!!
আমার একটা লাঠি আছে!!
লাঠি পানিতে সাতার কাটে হাঁস ও
পানিতে সাতার কাটে!! মনে হয়
তারা আপন ভাইবোন!!
হাঁস পানিতে গোসল করে আমিও
পানিতে গোসল করি!! আমার গোসল
করতে মাত্র পাঁচ মিনিট লাগে কিন্ত
হাঁস সারাদিন লাগিয়ে গোসল করে!!
এই জন্য হাঁস দেখতে এত সাদা!! আর
আমার গাঁয়ের রঙটা একটু ময়লা!!
বেশি না,
সামান্য ময়লা!! আমি হাঁস খুব
ভালোবাসি!! হাঁসও আমাকে খুব
ভালোবাসে!!
একটা কথা বলতে ভুলে গেছি!!
হাঁস দেখতে ঠিক আমার বউয়ের মত!!

আপেলের সাইজ

ছেলেঃ ইশ ! কেন যে আপেলের সাইজ তরমুজের সমান হল না!
বাবাঃ কেন রে?
ছেলেঃ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্রটা মুখস্ত হচ্ছে না !

ডাউল চাউল

এক বাউল এক দোকানে এসে দোকানদারকে বলল, ভাই আমারে এক কেজি ডাউল এবং এক কেজি চাউল দেন।
দোকানদার বললো, তা দিচ্ছি কিন্তু আপনি ডালকে ডাউল এবং চাল কে চাউল বলছেন কেন?
বাউল উত্তর দিলো, ভাই – আমি যদি ডালকে ডাউল এবং চাল কে চাউল বলি, তাহলে আমার মত বাউলকে আপনারা কি বলিবেন?

হাতির পায়ের বিরিয়ানি

এক দোকানে বিরিয়ানি বিক্রি করা হচ্ছে “এই বিরিয়ানি খান বিরিয়ানি হাতির পায়ের বিরিয়ানি”

তো এক লোক বিরিয়ানিতে হতির পা খুজছে

দোকানদার: আরে ভাই এভাবে খুজলে তো পাবেন না বিরিয়ানিতে হাতি পারা দিয়া চইলা গেছে. লও ঠ্যালা

জটিল ভাব!!!

প্রথম ইঁদুর: জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি।

দ্বিতীয় ইঁদুর: কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম।
ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।

তৃতীয় ইঁদুর: তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি।
বাড়ি ফিরে আবার
পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে।