Category: পাঁচমিশালী

কী অদ্ভুদ

এক বাক্তি রক্ত নিয়া গবেষক। তিনি গবেষনা করেছে এবং তার ফলাফল লোকদের জানাবেন। তখন গবেষক এক উপস্থিত সভাতে বললেন রক্ত এক প্রকার তরল জাজক কলা। সেই শুনে এক লোক বলল তাইলে স্যার, কলা খাইলে রক্ত বারে আর মাইনসে কয় লাল শাক খাইলে রক্ত বাড়ে। হুদাই মিছা।

তখন গবেষক বললনারে গাধা অই কলা সেই কলা না সেই কলা অই কলা না। এইটাই তো আমার গবেষনা।

লাল মিয়া বনাম সোনা মিয়া

লাল মিয়ার ইচ্ছা হলো বিদেশ ঘুরিতে যাইবে। অতএব লাল মিয়া তরিগরি করিয়া পাসপোর্ট করিতে দিলেন। কিছুদিন পর পাসপোর্ট হাতে পাইয়া লাল মিয়ার মাথা খারাপ। তার নামের জায়গায় লাল মিয়ার স্থলে সোনা মিয়া লিখা হইয়াছে। সে পাসপোর্ট অফিসে গিয়া বলিল, হুজুর আমার নাম ভুল হইয়াছে , ঠিক করিয়া দিন? হুজুর বলিল, এইভাবে হইবে না তোমাকে দরখাস্ত লিখে আবেদন করিতে হইবে। অতঃপর লাল মিয়া দরখাস্ত লিখিল।

জনাব,

আমি লাল মিয়া। আমার নাম ভুলবসত লালের পরিবর্তে সোনা হইয়া গিয়াছে। অতএব, হুজুরের নিকট আকুল আবেদন, আমার পাসপোর্ট এ সোনা কাটিয়া লাল করা হোক।

 

টিকেট

ট্রেনের টিকেটের জন্য গিয়ে দেখি টিকেট কাউন্টারের সামনে বিরাট বড় লাইন। কোনো টিকেট পাওয়া যাচ্ছেনা। এমন সময় এক লোক লাইন থেকে বেরিয়ে এসে বলল, শালা, এই ষ্টেশন মাষ্টারকে আমি খুন করব।এই বলে চলে গেলেন এবং তার
একটু পরেই তিনি ফিরে এলেন।

:কি ভাই, খুন করতে পারলেন?

:না ভাই।

:কেন?

:ওখানে এর চেয়েও বড় লাইন

দুই বন্ধু

দোকানে গেল দুই বন্ধু। কিছুক্ষণ পর দোকান থেকে বের হয়ে একজন আরেকজনকে বলল– “দেখ আমি দোকান থেকে তিনটা চকোলেট বার মেরে দিয়েছি! আমিই পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ব্যক্তি!”
অন্যজন বলল–“আমার চালাকি দেখবি?”
–“হ্যাঁ।”
–“চল তাহলে।”
তারা আবার দোকানে ফিরে গেল। দোকানদারকে অন্য বন্ধুটা বলল– “ম্যাজিক দেখবে ভাই???”
দোকানদার বললো–“হ্যাঁ ।”
তখন বন্ধুটা পরপর তিনটা চকোলেট বার চেয়ে নিয়ে খেয়ে ফেলল।
দোকানদার বলল–“ম্যাজিক কই?”
–“আমার বন্ধুর পকেটে হাত দাও…চকোলেট বার তিনটা ঐখানে আছে।”

হাইওয়ে

হাইওয়েতে একটি গাড়ি খুব ধীরগতিতে চলছে দেখে হাইওয়ে পুলিশ আটকালো । এভাবে চললে পিছনের গাড়ির ধাক্কা খেয়ে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে ।
পুলিশ বললো-“আপনি মাত্র ১৫ কিলোমিটার গতিবেগে গাড়ি কেন চালাচ্ছেন?”
লোক-“হাইওয়ের শুরুতেই গতিসীমা লেখা ছিলো ১৫ ।”
পুলিশ বললো-“ওটা গতিসীমা নয়, ওটা হাইওয়ের নাম্বার…অর্থাৎ এটা ১৫ নাম্বার হাইওয়ে ।”
লোক-“ওহ ! তাহলে তো ভুল হয়ে গেছে । আচ্ছা, এখন থেকে আমি স্বাভাবিক গতিতে চালাবো ।”
পুলিশ বললো-“আপনার গাড়ির পিছনের সিটে দু’জনকে দেখতে পাচ্ছি, তারা শূণ্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে…অল্প অল্প কাঁপছে…মনে হচ্ছে খুব শক্ পেয়েছে…কী ব্যাপার ?”
লোক-“না মানে…একটু আগে ৩১০ নাম্বার হাইওয়ে পার হয়ে আসলাম তো…”