যা বুঝার আপনারা বুঝে নিন।

বল্টু গেল ডাক্তারের কাছে,তার পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা।

-কীভাবে হল? ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন।
-আজ অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে দেখলাম আমার স্ত্রী নেই,শেষে বারান্দায় একটা কিছুর শব্দ পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্ত্রী দাঁড়িয়ে আছে আর একটা লোক শার্ট পরতে পরতে রাস্তা দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে।
আমি যা বোঝার বুঝে নিলাম আর বাসার ডিপ ফ্রিজটা তুলে লোকটার গা বরাবর ছুড়ে মারলাম।
এত বড় ফ্রিজটা ছুড়ে মারতে গিয়ে এই অবস্থা।
বল্টু চলে যাওয়ার ডাক্তারের কাছে গেল দ্বিতীয় রোগী,যার অবস্থা আরো খারাপ।
সে জানাল-আজ থেকে আমার নতুন চাকরিতে যোগ দেয়ার কথা, সকাল উঠে দেখি অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তাই শার্ট পরতে পরতে দৌড়ে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলাম, হঠাৎ কোত্থেকে একটা ফ্রিজ এসে ধড়াম করে পড়ল আমার গায়ে।
তাই শার্ট পরতে পরতে দৌড়ে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলাম, হঠাৎ কোত্থেকে একটা ফ্রিজ এসে ধড়াম করে পড়ল আমার গায়ে।
এরপর এল তৃতীয় রোগী,তার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
সে বলল -বড় একটা বিপদ থেকে বাঁচতে ডিপ ফ্রিজের ভিতর ঢুকে বসে ছিলাম, তারপর কোন এক হারামজাদা এসে ডিপ ফ্রিজটাই রাস্তায় ফেলে দিল

নীলটাই ভালো ছিল।

এক ছেলের কিছুতেই জুতা টিকেনা।
খালি নষ্ট হয়ে যায়।
তাই ছেলের বাবা তাকে একটা লোহার
জুতা বানায়ে দিল।
জুতায় আবার নিকেল পলিশ করা।
একদিন ছেলে সেই জুতা পড়ে তার এক
বান্ধবীর বাসায় গেল।
বান্ধবী মিনি স্কার্ট পড়ে ছিল।
ছেলেটি তার সামনে দাড়াতেই খেয়াল
করল বান্ধবীটির প্যান্টি জুতার
রিফ্লেক্সনে দৃশ্যমান এবং সেটার
রং নীল।
ছেলেটি মজা করার জন্য
বান্ধবীকে বললঃ বাহ্ নীল
রঙে তোকে দারুন মানায় তো।”
কথাশুনে মেয়েত অবাক…!!, কারন
প্যন্টি ছাড়া সে নীল কিছু পড়ে নেই।
সে পরিক্ষা করার জন্য ঘরের ভেতর
থেকে প্যান্টি চেঞ্জকরে আসল।
এবার ছেলেটির সামনে দাড়াতেই
ছেলেটি বললঃ উহু,, লাল
রংটা যাচ্ছেনা।
নীলটাই ভালো ছিল।”
বলাবাহুল্য প্যন্টির রং লাল ছিল।
মেয়েটি ঘাবড়ে ঘরে দৌড় দিল। কিছুখন
পর আবার আসল। এসেই জিঙ্গাসু
দৃষ্টিতে ছেলেটির দিকে তাকালো।
এমন সময় ছেলেটি আর্তনাদ
করে উঠে বললঃ

”আ আ আ আ, আমার এই জুতাটাও ফেটে গেল।
আবার কালো সুতাও বের হয়ে গেসে। বাপ
আমারে মাইরাই ফালাইবো।

৩৯৮ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করেছি।

দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর তিন
পাগলকে নিয়ে বসেছেন চিকিৎসক।
চিকিৎসক: বলো তো, ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ
করলে কত হয়?
প্রথম পাগল: ৩৯৮
হতাশ চিকিৎসক দ্বিতীয় জনকেও একই
প্রশ্ন
করলেন।
দ্বিতীয় পাগল: মঙ্গলবার
হতাশ হয়ে চিকিৎসক তৃতীয় জনকেও একই
প্রশ্ন করলেন।
তৃতীয় পাগল: ৯
: ভেরি গুড! এবার বলো তো,
তুমি এটা কীভাবে বের করলে?!
খুশি হয়ে বললেন চিকিৎসক।
তৃতীয় পাগল:

খুবই সহজ! ৩৯৮ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ
করেছি!

একটু বেশী স্মার্ট


দুই নারীর মধ্যে কথোপকথন…….
১ম নারী : জানিস!! আমার
ভাইয়া যা স্মার্ট না!!
চিন্তা করা যায় না। দিনে ২-৩
বার ড্রেস চেন্স করে।
২য় নারী : তাই!! ভালো তো। কিন্তু
আমার ভাই যে এত বেশী স্মার্ট তুই
স্বপ্নেও ভাবা যায় না। সে কয়েক
ঘন্টা পরপর কাপড় পরিবর্তন করে।
১ম নারী : তাই!!
আগে তো বলিসনি তোর ভাই আছে?
২য় নারী : কেমনে বলব????…..
.

আগামী সপ্তাহেই তো হইল।:

থার্ডক্লাসের টিকেট।

পিংকি টিকেট ছাড়াই ট্রেনে উঠল-
টি.টি এসে পিংকিকে জিগ্যেস করল,
টিকেট কোথায়???
পিংকি : আমার চেহারাই আমার টিকেট.
টি.টি : তারপরও তোমাকে জরিমানা দিতে হবে.
পিংকি : কেন???
টিটি : থার্ডক্লাসের টিকেট দিয়ে ফার্স্ট ক্লাসে ভ্রমন করার জন্য।