বুড়ির ‘power’

বুড়ির ‘power’ তো দেখো! এক বুড়ি তার তিন যুবতী নাতনীদের নিয়ে থাকতো। একদিন রাতে তাদের বাড়িতে ডাকাতে আক্রমণ করে। তখন বুড়ির এক নাতনী ডাকাতকে বলল,
“আমাদের সাথে যা খুশি করো কিন্তু আমাদের বুড়ি দাদীকে ছেড়ে দাও।” তখন বুড়ি বলল, “না! কাউকে ছাড়া হবে না। যুদ্ধের ময়দানে সবাই সমান।”

আমি গরীব মশা

মন্টু একদিন দুপুরে বসে আছে। হটাৎ একটা মশা এসে মন্টুকে কামড় দিলো।

মন্টু :- (রেগে গিয়ে) এখন দিনের বেলায়ও কামড় দিতে হবে?
মশা:- কি করমু সাহেব? গরীব মশা আমি। মা- বাবা হাসপাতালে ভর্তি। ঘরে বিয়ের উপযুক্ত বোন আছে। সেদিন তার বিয়ে ঠিক হইছে। ছেলে পক্ষ ১লিটার রক্ত যৌতুক দাবি করছে। তাই ওভারটাইম করতেছি।

বাসর রাতে বউ জামাই

বাসর রাতে বউ জামাই কে বলল..
বউঃ “কর”।
জামাইঃ কি করব? আমি তো কিছু জানি না।
বউঃ কোনো ব্যাপার না। আমি যা করব তুমিও তাই করবা, কেমন??
জামাইঃ ঠিক আছে।
(বউ শাড়ী খুলল, দেখে দেখে জামাই শার্ট খুলল, বউ সায়া খুলল, জামাই তার প্যান্ট খুলল।
জামাইঃ তারপর?
এবার বউ প্যান্টি খুলল, জামাই তার underwear খুলল। বউ চিৎ হয়ে শুইলো। জামাইও তাই করলো।)
জামাইঃ এখন??
বউ এবার দুই পা ফাক করলে জামাইও তার দুই পা ফাক করলো…
জামাইঃ এরপর??
বউঃ রাগ হয়ে… এইবার এমন কর, তুমি বাইরে গিয়ে দুইজন পুরুষ ডেকে নিয়ে আসো, একটা তোমার জন্য আর একটা আমার জন্য!!

হেলে দুলে হাঁটা

দুইজন লোকের অনেক বছর পর দেখা।
১ম ব্যক্তি বামে-ডানে হেলে দুলে হাঁটছে দেখে ২য় ব্যক্তি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো –
– কিরে তুই এভাবে বামে-ডানে হেলে দুলে হাঁটছিস কেন?
১ম ব্যক্তি বলে –
– আরে বেটা, ১৪ বছর জাহাজে কাজ করেছি। জাহাজতো সারাক্ষণ সাগরে হেলে দুলে চলে। সেই সাথে আমরা যারা কাজ করি তারাও হেলতে-দুলতে থাকি। এখন সেটা অভ্যেস হয়ে গিয়েছে। জাহাজে না থাকলেও বামে-ডানে হেলে দুলে চলি।
এবার ২য় ব্যক্তি সামান্য রাগের সাথে বলে –
– আরে আমি বিয়ে করেছি ২০ বছর। কই আমাকে কখনো কোমর নাচিয়ে সামনে-পেছনে হেলে দুলে চলতে দেখেছিস? আমারতো অভ্যাস হয়নি!!!

বেগটা একটু বেশি পেয়েছিল

জনি গাড়ি নিয়ে মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিল। তার গাড়ির গতিসীমা তখন ঘণ্টায় ৬০ কিমির বেশি অতিক্রম করছে।
এমন সময় সে লক্ষ করল, পেছন থেকে একটা পুলিশের গাড়ি তাকে ধাওয়া করছে। জনি বুঝল, সে সর্বোচ্চ গতিসীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এখন উপায়? গাড়ি থামালেই একগাদা টাকা জরিমানা গুনতে হবে। মনে মনে সে একটা বুদ্ধি আঁটল।
গাড়ির গতি না কমিয়ে সে আরও বাড়িয়ে দিল। পুলিশের গাড়িটাও তখন ঝড়ের বেগে ধেয়ে আসছে।
হঠাৎ একটা পেট্রলপাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে গেল জনি। গাড়ি থেকে নেমে এক ছুটে ঢুকে গেল পেট্রলপাম্পের বাথরুমে।
পাঁচ মিনিট পর জনি যখন বের হলো, পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলেছে। জনি পেটে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, ‘বুঝতেই পারছেন, বেগটা একটু বেশি পেয়েছিল!’