Category: পাঁচমিশালী

শুকাতে দিয়েছি

এক পাগল অনেক দিন ধরে এক মেন্টান হসপিটাল এ চিকিৎসাধীন | এক দিন পাগলটি এক লোককে পানিতে পরে ডুবে যেতে দেখে তাকে পানি থেকে টেনে তুলল | এ ঘটনা এক ডাক্তার দেখে মনে মনে ভাবল যে পাগল মানুষের প্রান বাচাঁতে পারে সে নিশ্চয় আর পাগল নেই | সে সুস্থ্য হয়ে গেছে |

এই ভেবে সে পাগলকে তার চেম্বারে ডেকে পাঠলো | ডাক্তার পাগল কে বলল, আমার মনে হয় তুমি সুস্থ্য হয়ে গেছ এবং আমরা তোমাকে ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি | এ সময় এক নার্স এসে খবর দিল, পাগলটি যে লোককে বাচিয়েছিল, সে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে |

এ কথা শুনে ডাক্তার পাগল কে বলল, দেখ, খুবই দুঃখের কথা যে তুমি যে লোককে বাচিয়েছিল, সে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে |

তখন পাগটি বলল, লোকটি তো মরেনি, সে পানিতে বিঝে গিয়েছিল তো, তাই তাকে রোদে শুকাতে দিয়েছি ||

বাসা থেকে বের করে দেবো

মিস্টার অ্যান্ড মিসেস চৌধুরী পার্টিতে গেলেন, বাসা সামলানোর দায়িত্ব দিয়ে গেলেন কাজের ছেলে জুম্মনকে। পার্টিতে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে বিরক্ত হয়ে মিসেস চৌধুরী ফিরে এলেন, মিস্টার চৌধুরী রয়ে গেলেন সামাজিকতার খাতিরে।

বাসায় ফিরে এসে মিসেস চৌধুরী জুম্মনকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং রুমে। তিনি খানিকক্ষণ উসখুস করে জুম্মনকে ডেকে নিয়ে গেলেন নিজের বেডরুমে।

‘জুম্মন, আমার শাড়িটা খোল।’ হুকুম করলেন তিনি।

জুম্মন কোন কথা না বলে হুকুম তামিল করলো।

‘এবার আমার ব্লাউজ আর ব্রেসিয়ার খোল।’ বললেন মিসেস চৌধুরী।

জুম্মন সেটাও পালন করলো।

এবার মিসেস চৌধুরী নিচু গলায় বললেন, ‘আমার পেটিকোটটা খোল জুম্মন।’

জুম্মন খুললো।

মিসেস চৌধুরী জুম্মনের চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘আর কোনদিন যদি দেখি আমার জামাকাপড় গায়ে দিয়ে বসে আছিস, কানে ধরে বাসা থেকে বের করে দেবো।’

আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি।

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’

দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’

তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’

রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ — তা কিভাবে বুঝলেন?’

‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

আমারটাও তো মরে গিয়েছিলো!’

সুমন আর জুমন, দুই আধুনিক চাষী, গরু চাষ করে তারা।

সুমন একদিন এসে জুমনকে বলছে, ‘দোস্ত, তোর একটা গরুর খুব জ্বর হয়েছিলো গতমাসে, কী করেছিলি বল তো?’

জুমন বললো, ‘তারপিন খাইয়েছিলাম।’

সুমন ধন্যবাদ জানিয়ে চলে গেলো।

হপ্তাখানেক বাদে আবার দুজনের দেখা। সুমনের মুখ কালো। সে গম্ভীর গলায় বললো, ‘ইয়ে দোস্ত, তোমার একটা গরুর খুব জ্বর হয়েছিলো গতমাসে, কী যেন খাইয়েছিলে?’

‘তারপিন।’ বললো জুমন।

সুমন রাগে ফেটে পড়লো, ‘আমি আমার গরুটাকে তারপিন খাওয়ানোর পর সেটা মরেই গেছে!’

জুমন চমকে উঠলো, ‘আরে, কী আশ্চর্য! আমারটাও তো মরে গিয়েছিলো!’

পারলাম না, তার আগেই

চার কাউবয় একসাথে আগুনের পাশে গোল হয়ে বসে আলোচনা করছে, সবচে’ দ্রুত কোন জিনিস।

প্রথমজন বলছে, ‘চিন্তা, বুঝলে? হাতে কাঁটার খোঁচা খেলে, কিংবা তামাকের ছ্যাঁকা খেলে কী হয়? সেটা চিন্তা হয়ে সাথে সাথে মাথায় ঘা দ্যায়!’

দ্বিতীয়জন বলছে, ‘আরে না। চোখের পাতা ফেলা হচ্ছে সবচে দ্রুত। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই আবার সব আগের মতো দেখা যায়।’

তৃতীয়জন বলছে, ‘উঁহু, আলো। দ্যাখো না, সুইচ টিপতেই ঘর থেকে কিভাবে অন্ধকার সরে যায়?’

চতুর্থজন বলছে, ‘ঘেঁচু। সবচে দ্রুত হচ্ছে ডায়রিয়া।’

বাকিরা ঘাবড়ে গেলো, ‘কিভাবে, কিভাবে?’

‘গেলোবার মেক্সিকোতে গরু বিক্রির সময় ওদের তরকারি খেয়েছিলাম, বুঝলে? ব্যাটারা এতো ঝাল খায়! রাতের বেলা হোটেলের বিছানায় শুয়ে আছি, হঠাৎ পেটটা কেমন যেন করে উঠলো। তারপর আমি কোন চিন্তাও করতে পারলাম না, চোখের পাতিও ফেলতে পারলাম না, এমনকি ঘরের সুইচও টিপতে পারলাম না, তার আগেই …।’