http://bdjokes.com/wp-content/themes/graphene/style.css

Tag Archive: কভব

Sep 17

ব্রেকাপের দুইদিন পর

ব্রেকাপের দুইদিন পর ছেলেটা
গিয়ে হঠাৎ করে
মেয়েটাকে শক্তকরে জড়িয়ে
ধরে। মেয়েটা
চমকে উঠে পিছনে তাকিয়ে
দেখে ছেলেটা
তাকে জড়িয়ে ধরে আছে।
মেয়েটা অবাক হয়ে
যায়। যে ছেলে রিলেশন
থাকাকালিন তার হাত ধরতে
গেলে ভয়ে হাত কাঁপত, সেই
ছেলে তাকে
শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে তাও
আবার
ব্রেকাপের পর। মেয়েটা
নিজেকে ছারিয়ে
নিয়ে চোখ মোখ কঠর করে
বললো।
– কি হচ্ছে এটা?
ছেলেটা সরল ভাবে উক্তর
করল।
– ভালবাসি তো।
মেয়েটা রেগে গিয়ে বললো।
– খবরদার বদ পোলা আমার
সামনে ন্যাকামি করবা না।
ছেলেটা আরো সরল ভাবে
বললো।
– ভালবাসি, ন্যাকামি করতে
যাব কেন।
মেয়েটা আরো এক ধাপ রেগে
গিয়ে বললো।
– কিসের ভালবাসা?
ব্রেকাপের পর কোন ভালবাসা
থাকতে পারে না। তোমার মত
বদ ছেলেকে আমি
আর একটুও ভালবাসি না।
তোমার সাথে আমার কোন
সম্পর্ক নাই।
মেয়েটার রাগ দেখে ছেলেটা
ভয়ে মিনমিন
করে বললো।
– এহ্ বললেই হলো আর
ভালবাসে না। ভালবাসা কি
এত সস্থা নাকি যে ব্রেকআপ
বললেই সব শেষ
হয়ে যাবে।
ছেলেটার মিনমিন কথা শুনে
মেয়েটা চোখ
রাঙিয়ে বলে।
– কি বললা তুমি?
– না মানে বলছিলাম কি
ব্রেকআপ তো তুমি করছ তাই
আমার জন্য তোমার মনে কোন
ভালবাসা নাই, শুধু
রাগ আছে। তবে এতে আমার খুব
একটা সমস্যা
হবে না, আমার মনে যে
পরিমান ভালবাসা আছে
সেটা তোমার রাগের সাথে
পাল্লা দিয়ে সুন্দর মত
চলে যাবে দুজনের। রাগময়
ভালবাসা হবে
আমাদের।
ছেলেটার বোকা বোকা কথা
শুনে মেয়েটার
রাগ অনেকটা কমে যায়। এই
বোকা ছেলেটাকে
যে রাগের আড়ালে কি
পরিমান ভালবাসে মেয়েটা,
সেটা কোনদিনও বোকা
ছেলেটাকে বুঝতে
দেয় না। মেয়েটা রাগি কণ্ঠে
বলে।
– খবরদার আমার আশেপাশে
ঘুড় ঘুড় করবা না,
তোমার সাথে যা ছিল সব
শেষ। বাড়িওয়ালার
ছেলেটা বেশকিছুদিন দরে
আমার পিছু ঘুড়ছে,
গতকাল তো প্রোপজও করেছে।
ভাবতেছি আর সাপ্তাখানি
ঘুড়িয়ে প্রোপজালটা
এক্সেপ্ট করে নিব।
মেয়েটার কথা শুনে ছেলেটার
চেহারায় কষ্টের
একটা ছাপ ফুটে উঠে। চোখ
দুটো ছল ছল করে
উঠে।
অসহায় দৃষ্টিনিয়ে মেয়েটার
দিকে তাকিয়ে থাকে।
মেয়েটা খুব ভালকরে বুঝতে
পারে তার বলা মিথ্যা
কথাটা ছেলেটার ভীতরে
গিয়ে আঘাত করেছে।
মেয়েটার ভীষন মায়া হয়,
কান্না চলে আসে।
অনেক কষ্টে কান্না চেপে
ছেলেটার দিকে
তাকায়। ছেলেটা বোকা
বোকা একটা হাসি দিয়ে
বলে।
– সেটা তো অনেক সময়, এই
কদিন না হয় তোমার
সাথে থাকি উহু আমাকে
তোমার ভালবাসতে হবে না,
শুধু তোমাকে ভালবাসতে
বাধা দিও না প্লিজ। তুমি
যখন
ভালবেসে ঐ ছেলের হাত
ধরবে তখন আমি
আসতে করে হাড়িয়ে যাব। আর
কোনদিন তোমার
সামনে আসব না।
ছেলেটার কথা শুনে মেয়েটা
আর কান্না চেপে
রাখতে পারে না। ফুঁপিয়ে
কেঁদে উঠে। হাতটা
মুঠোকরে ছেলেটার দিতে
তাঁক করে বলে।
– আর কোনদিন যদি আমাকে
কষ্ট দাও বদ ছেলে
দেইখো তোমাকে আমি কি
করি।
মেয়েটার কথা শুনে ছেলেটা
ভিজা চোখ নিয়ে
মেয়েটার দিকে তাকিয়ে
থাকে।
মেয়েটা ধমক দিয়ে বলে।
– দাঁড়িয়ে আছ কেন। জড়িয়ে
ধরো আগের
থেকে শক্ত করে ধরবা।
মেয়েটার কথা শুনে বোকা
ছেলেটা লজ্জায় মাথা
নিচুকরে দাঁড়িয়ে থাকে।
মেয়েটা চোখ মুছতে মুছতে
বলে।
– কি হলো ধরছ না কেন?
ছেলেটা আসতে করে বলে
– আমার না ভীষন লজ্জা
লাগছে।
মেয়েটা চোখ রাঙিয়ে বলে।
– তখন ধরলে কি করে?
– তখন তো তোমাকে
হাড়ানোর ভয়টা এত তীব্র
ছিলে যে লজ্জা ভয় কোনটাই
কাজ করছিল না।
ছেলেটার কথা শুনে মেয়েটার
চোখ আবার
ভিজে উঠে। ভিজা চোখ
নিয়ে ছেলেটার কলার
চেপে ধরে বলে।
– এখন যদি তুমি আমাকে না
জড়িয়ে ধর, চিরদিনের
জন্য ব্রেকাপ করে চলে যাব।
ছেলেটা চিৎকার করে বলে
উঠে।
– এই না না আমি তোমাকে
জড়িয়ে ধরব।
ছেলেটা মেয়েটাকে খুব শক্ত
করে জড়িয়ে
ধরে। আর মেয়েটা ছেলেটার
বুকে মুখ লুকিয়ে
মনে মনে বলে।
– তোমার এই জড়িয়ে ধরার
জন্য হলেও রোজ
একবার করে ব্রেকাপ করব বদ
ছেলে,
দেখেনিও।।।

ব্রেকাপের দুইদিন পর
3.98 (79.62%) 105 votes

Jul 20

একটি মশা কিভাবে মারতে হয় ?

পরীক্ষায় প্রশ্ন
আসলো :
একটি মশা কিভাবে
মারতে হয় ?
একনিষ্ঠ ছাত্র
# বল্টু উওরে লিখেছিল :
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
প্রথমে একটি বাটিতে
মরিচের
গুড়া নিয়ে তাতে পানি দিয়ে
গুলিয়ে রাখুন।
মশা তা রক্ত
মনে করে খেতে
আসবে।
এই
মরিচ
গুলানো খেয়ে মশার
ঝালে পানি খেতে যাবে।
পানি খেতে আসলেই
আপনি মশা টি কে
পানিতে ধাক্কা দিয়ে
ফেলে দিন।
তারপর
একস্থানে আগুন
জালান,
ভেজা মশা আগুনের
কাছে আসবে নিজেকে
শুকাতে।
এবার
আপনি আবার
ধাক্কা দিয়ে মশাটি
কে আগুনে ফেলে দিন।
তারপর
যে হাসপাতালে মশাটি
ভর্তি হয়েছে সেখানে যাবেন।
এবার চুপি চুপি মশার
মুখের অক্সিজেন
মাস্ক টি খুলে ফেলুন।
ব্যাস আপনার
কাজ
শেষ ,
মশাটি মরে যাবে!
,
স্যার বেহুস..!!

একটি মশা কিভাবে মারতে হয় ?
3.92 (78.33%) 60 votes
Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE