ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।

এক ফরাসি তরুণী হারিয়ে গেছে।

ঘোড়ায় চড়ে এক রেড ইন্ডিয়ান এসে তাকে প্রস্তাব দিলো কাছের শহরে পৌঁছে দেয়ার।

রাজি হয়ে তরুণী তার ঘোড়ার পেছনে চড়ে বসলো। ঘোড়া ছুটতে লাগলো।

কিন্তু কোন এক বিচিত্র কারণে একটু পরপর রেড ইন্ডিয়ান লোকটি “আআআআআহহ” করে বিকট চিৎকার দিতে লাগলো।

শহরে পৌঁছে বাস স্টেশনের সামনে লোকটি নামিয়ে দিলো তরুণীকে, তারপর আরেকটা বিকট ইয়াহু চিৎকার দিয়ে উল্টোপথে ছুটে গেলো।

বাস স্টেশনের অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘কী ব্যাপার, কী করেছেন আপনি, লোকটা অমন ক্ষেপে গেলো কেন?’

ঘাবড়ে গিয়ে তরুণী বললো, ‘কিছুই না। আমি তো ওর পেছনে ঘোড়ায় চড়ে বসেছিলাম, আর ওর হাত বাড়িয়ে ওর স্যাডলের সামনের দিকে হ্যান্ডেলটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিলাম শুধু।’

অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘মিস, রেড ইন্ডিয়ানদের ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।’

খেলা

আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে:

বেকারদের খেলা: বাস্কেটবল।

শ্রমিকদের খেলা: ফুটবল।

ফোরম্যানদের খেলা: বেসবল।

ম্যানেজারদের খেলা: টেনিস।

সিইওদের খেলা: গলফ।

সিদ্ধান্ত: কর্পোরেট কাঠামোতে যে যত উঁচুতে, তার বল তত ছোট।

‘বুঝতেই তো পারছেন।’

টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।

পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?

পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।

তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।

তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু!’

টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, ‘কী?’

পাখিটা বললো, ‘বুঝতেই তো পারছেন।’

সমস্যার সমাধান।

প্রশ্ন: চাঁদে একজন রাজাকার। এর মানে কী?

উত্তর: সমস্যা।

প্রশ্ন: চাঁদে দু’জন রাজাকার। এর মানে কী?

উত্তর: মহা সমস্যা।

প্রশ্ন: গোটা রাজাকার সমাজ চাঁদে। এর মানে কী?

উত্তর: সমস্যার সমাধান।

‘মৌমাছিরাও ওগুলোই করে।’

রাতে শোওয়ার আগে স্ত্রীর মনে পড়ল আজ বিকেলে ছেলেকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে পাশের বাড়ির টুনির সঙ্গে কী যেন ফিসফিস করতে দেখেছেন।

তিনি স্বামীকে ডেকে বললেন, ‘হ্যা গো শুনছ, আমাদের ছেলে বড় হচ্ছে। তোমার কি মনে হয় না ওকে কিছু ব্যাপার বুঝিয়ে বলা উচিত? তুমি বরং আজকেই ওকে সেক্সের ব্যাপারে সবকিছু বুঝিয়ে বল। তবে একবারেই সব বলে দিও না যেন, ফুল কিংবা মৌমাছি থেকে শুরু কর।’

অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বামী বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। ছেলেকে আড়ালে ডেকে নিয়ে গেল। ‘হ্যা রে বাবু, তোর কি মনে আছে, গত হপ্তায় টুনির সঙ্গে তুই আর আমি কী করেছিলাম?’

‘হ্যাঁ বাবা।’

‘মৌমাছিরাও ওগুলোই করে।’